তারল্য সংকটই সুদহার বৃদ্ধির কারণ
প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে এনটিভি ‘মার্কেট ওয়াচ’ অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে শেয়ার বিজের নিয়মিত আয়োজন ‘এনটিভি মার্কেট ওয়াচ’ পাঠকের সামনে তুলে ধরা হলো:
পুঁজিবাজারে সূচক আবার সেই ২০১৭ সালের পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। মানে যেখান থেকে সূচক উঠেছিল সেখানেই এসে দাঁড়িয়েছে। পুঁজিবাজারের এমন অবস্থার পেছনে দুটি বিষয় মূলত দায়ী। তা হচ্ছে তারল্য সংকট ও সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়া। আর তারল্য সংকটের কারণেই সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। পরে এই সমস্যা দূরীকরণে ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) এক শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হলো। গতকাল এনটিভির মার্কেট ওয়াচ অনুষ্ঠানে বিষয়টি আলোচিত হয়। মোশতাক সাদেকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আহসানুল আলম পারভেজ এবং শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের সিইও এমরান হাসান। অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা ও সম্পাদনা করেন হাসিব হাসান।
আহসানুল আলম পারভেজ বলেন, দেশের আর্থিক খাতে অপব্যবস্থাপনা চরম আকার ধারণ করেছে। আর এই কথা অর্থমন্ত্রী নিজেও বলেছেন। জনগণ এখন ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পাচ্ছে। জনগণের টাকা অগ্রণী, জনতা বা অন্য ব্যাংকগুলোতে আছে। এদিকে আবার ফারমার্স ব্যাংক পুঁজি হারিয়ে ফেলেছে এবং সেখানে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। কথা হচ্ছে কার টাকা কে কাকে দিচ্ছে, এটাই আসলে চিন্তার বিষয়। আমার মনে হয় এখানে কিছু একটি সমস্যা আছে। আর সমস্যা আছে বলেই অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কালো টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে তো আমি কী করব? আর এটি তার রাগের কথা। যে কারণে তিনি বলেছেন, ১৪টি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে, এখন আমি কী করব? এখন আর্থিক খাতকে শৃঙ্খলায় আনতে হবে। মাদকের ক্ষেত্রে যেমন বদি সেরকম আর্থিক খাতেও প্রায় এক ডজন বদি আছে। কাজেই এই এক ডজন বদির সঙ্গে বসে সরকার যদি আর্থিক খাতের সুশাসন আনার চেষ্টা না করেন তাহলে এই খাতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে। তিনি বলেন, দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক খাতে যারা কাজ করছে তারা ব্যাংক চালানোর মতো যথেষ্ট শিক্ষিত কি না সেটি নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। ফারমাস ব্যাংককে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে এটা-সেটা করা হচ্ছে। অথচ এখানে প্রধান সমাধান হচ্ছে মার্জার করা, কিন্তু তা করা হচ্ছে না। তারা শিক্ষিত হয়ে অশিক্ষিতের মতো কাজ করছেন।
এমরান হাসান বলেন, মাঝে দু-এক দিন বাদে গত ২৮ থেকে ৩০ দিন ধরে পুঁজিবাজারের টানা পতন হচ্ছে। সূচক আবার সেই ২০১৭ সালের পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। মানে যেখান থেকে সূচক উঠেছিল সেখানেই এসে দাঁড়িয়েছে এখন। আমি মনে করি পুঁজিবাজারের এমন অবস্থার পেছনে দুটি বিষয় মূলত দায়ী। তা হচ্ছে, তারল্য সংকট ও সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়া। আর তারল্য সংকটের কারণেই সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, তা না হলে সিঙ্গেল ডিজিটেই থাকত এবং এই সমস্যার সৃষ্টি হয় যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এডি রেশিও কমানোর মন্তব্য শোনা যায়। পরে এই সমস্যা দূরীকরণে ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) এক শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হলো। এতে হয়তো কিছুটা তারল্য সংকট দূর হবে, তবে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায় রোজার মাসে সব সময়ই পুঁজিবাজার ধীরগতিতে থাকে। এ সময় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার থেকে টাকা ওঠানোর প্রবণতা কাজ করে।
আহসানুল আলম পারভেজ বলেন, দেশের আর্থিক খাতে অপব্যবস্থাপনা চরম আকার ধারণ করেছে। আর এই কথা অর্থমন্ত্রী নিজেও বলেছেন। জনগণ এখন ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পাচ্ছে। জনগণের টাকা অগ্রণী, জনতা বা অন্য ব্যাংকগুলোতে আছে। এদিকে আবার ফারমার্স ব্যাংক পুঁজি হারিয়ে ফেলেছে এবং সেখানে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। কথা হচ্ছে কার টাকা কে কাকে দিচ্ছে, এটাই আসলে চিন্তার বিষয়। আমার মনে হয় এখানে কিছু একটি সমস্যা আছে। আর সমস্যা আছে বলেই অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কালো টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে তো আমি কী করব? আর এটি তার রাগের কথা। যে কারণে তিনি বলেছেন, ১৪টি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে, এখন আমি কী করব? এখন আর্থিক খাতকে শৃঙ্খলায় আনতে হবে। মাদকের ক্ষেত্রে যেমন বদি সেরকম আর্থিক খাতেও প্রায় এক ডজন বদি আছে। কাজেই এই এক ডজন বদির সঙ্গে বসে সরকার যদি আর্থিক খাতের সুশাসন আনার চেষ্টা না করেন তাহলে এই খাতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে। তিনি বলেন, দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক খাতে যারা কাজ করছে তারা ব্যাংক চালানোর মতো যথেষ্ট শিক্ষিত কি না সেটি নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। ফারমাস ব্যাংককে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে এটা-সেটা করা হচ্ছে। অথচ এখানে প্রধান সমাধান হচ্ছে মার্জার করা, কিন্তু তা করা হচ্ছে না। তারা শিক্ষিত হয়ে অশিক্ষিতের মতো কাজ করছেন।
এমরান হাসান বলেন, মাঝে দু-এক দিন বাদে গত ২৮ থেকে ৩০ দিন ধরে পুঁজিবাজারের টানা পতন হচ্ছে। সূচক আবার সেই ২০১৭ সালের পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। মানে যেখান থেকে সূচক উঠেছিল সেখানেই এসে দাঁড়িয়েছে এখন। আমি মনে করি পুঁজিবাজারের এমন অবস্থার পেছনে দুটি বিষয় মূলত দায়ী। তা হচ্ছে, তারল্য সংকট ও সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়া। আর তারল্য সংকটের কারণেই সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, তা না হলে সিঙ্গেল ডিজিটেই থাকত এবং এই সমস্যার সৃষ্টি হয় যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এডি রেশিও কমানোর মন্তব্য শোনা যায়। পরে এই সমস্যা দূরীকরণে ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) এক শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হলো। এতে হয়তো কিছুটা তারল্য সংকট দূর হবে, তবে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায় রোজার মাসে সব সময়ই পুঁজিবাজার ধীরগতিতে থাকে। এ সময় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার থেকে টাকা ওঠানোর প্রবণতা কাজ করে।

No comments